এ দেশের সমৃদ্ধ ও স্নিগ্ধ নদীগুলোর মধ্যে অনন্য নদী হলো মধুমতি। সেই মধুমতির কোল ঘেঁষে গড়ে ওঠা শহর গোপালগঞ্জ। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের সময় পূর্ববঙ্গের (বর্তমানে বাংলাদেশ) তৎকালীন ফরিদপুর জেলার একটি মহকুমা ছিলো গোপালগঞ্জ জেলা। এই গোপালগঞ্জ জেলা এক সময় রাজগঞ্জ নামেও পরিচিত ছিল।
গোপালগঞ্জ অঞ্চলটি মাকিমপুর ষ্টেটের জমিদার রাণী রাসমনির দায়িত্বে ছিল। তিনি এক জেলে কন্যা ছিলেন। সিপাহী বিদ্রোহের সময়, তিনি একদিন এক ইংরেজ সাহেবের প্রাণ রক্ষা করেন। পরবর্তীতে তারই পুরস্কার স্বরূপ ইংরেজরা তাঁকে সম্পূর্ণ মাকিমপুর অঞ্চল দিয়ে দেন। রাণী রাসমনির নাতি ছিলেন গোপাল।
ধারণা করা হয় সেই গোপালের নামানুসারে রাজগঞ্জের নাম হয় গোপালগঞ্জ। কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, সংগীত শিল্পী ফিরোজা বেগম, পরিচালক এবং অভিনেতা কাজী হায়াৎ, শাকিব খান, ধারাভাষ্যকার – চৌধুরী জাফরউল্লাহ শারাফাত প্রমুখের পূণ্যভূমি এই সমৃদ্ধ অঞ্চল গোপালগঞ্জ।

সেই গোপালগঞ্জের সেরা বিদ্যাপীঠ, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে দেশব্যাপী সবুজায়নের সাথে সাথে মানবিক মানুষ গড়বার প্রত্যয় বহনকারী সংগঠন, দেশের বৃহৎ পরিবেশবাদী যুব সংগঠন, গ্রীন ভয়েসের কার্যকারিতা প্রসারের লক্ষ্যে ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে নতুনত্বের নৈপুণ্যতা আনায়নে কেন্দ্রীয় পরিষদের সম্মতিতে আজ পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করা হলো।

গ্রীন ভয়েসের দেশব্যাপী পরিব্যপ্ততার অংশ হিসেবে ইমতিয়াজ জয়কে সভাপতি, আল আরাফাত উৎসকে সাধারণ সম্পাদক এবং সুমাইয়া খানমকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ৩৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটিকে আগামী ১ বছরের জন্য কেন্দ্রীয় পরিষদ থেকে অনুমোদিত করে ঘোষণা করা হলো।
আমরা খুব করে আশা রাখি এই নবগঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটি গ্রীন ভয়েসের সবুজায়নের স্বপ্নের অতন্দ্র সারথী হয়ে সবুজের আলো ছড়াবে সেই প্রত্যাশা চিরন্তন।