• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ০৬:৪১ অপরাহ্ন
Headline
ভর্তি পরীক্ষার্থীদের পাশে গ্রীন ভয়েস: প্লাস্টিকমুক্ত সেবায় মানবিক দৃষ্টান্ত বাপা ও ক্যাবের আয়োজনে জ্বালানি রূপান্তরে ন্যায্য বিনিয়োেগ ও জনস্বার্থ নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নতুন নেতৃত্বে কুড়িগ্রাম গ্রীন ভয়েস, সভাপতি-নূরনবী, সাধারণ সম্পাদক-তহ্নি বণিক ও সাংগঠনিক সম্পাদক-স্বপ্ন হাবিপ্রবিতে গ্রীন ভয়েসের উদ্যোগে ইফতার ও অসহায়দের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ গ্রীন ভয়েস গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নতুন কমিটি: সভাপতি জয়, সাধারণ সম্পাদক উৎস ও সাংগঠনিক সম্পাদক সুমাইয়া উলিপুরে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে গ্রীন ভয়েসের পরিবেশ পদযাত্রা ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্রীন ভয়েসের নতুন কমিটি ঘোষণা পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে গ্রীন ভয়েস, দিনাজপুর সরকারি কলেজ শাখার ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত গ্রীন ভয়েস, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখার উদ্যোগে আলোচনা সভা, দায়িত্ব হস্তান্তর ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) পরিবেশবাদী সংগঠন ‘গ্রীন ভয়েস’-এর আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে

শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে ২০২৫ বিধিমালা: নিরব এলাকায় সরব থাকবে পুলিশ, ১ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

Reporter Name
Update : সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

রাজধানীসহ সারা দেশে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের আওতায় প্রণীত শব্দ দূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা–২০২৫ কার্যকর করতে মাঠে নামছে পুলিশ ও ভ্রাম্যমাণ আদালত। বিশেষ করে ‘নিরব এলাকা’ ঘোষিত হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আদালত ও আবাসিক এলাকার আশপাশে অযথা হর্ণ বাজানো, উচ্চ শব্দে মাইক ব্যবহার কিংবা যানবাহনের বিকট শব্দ সৃষ্টি করলে ১ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হবে।

 

সংশ্লিষ্টরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে আইন থাকলেও বাস্তব প্রয়োগ ছিল দুর্বল। ফলে নগর জীবনে শব্দ দূষণ এক নীরব আতঙ্কে পরিণত হয়েছে। গবেষণা বলছে, অতিরিক্ত শব্দের কারণে শ্রবণশক্তি হ্রাস, মানসিক চাপ, উচ্চ রক্তচাপ ও ঘুমের ব্যাঘাতসহ নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে।
বিধিমালায় নিরব এলাকায় অযথা হর্ণ বাজানোকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল, বাস ও ট্রাকের বিকট হর্ণ, পরিবর্তিত সাইলেন্সার ও অনুমোদনহীন সাউন্ড সিস্টেমের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হবে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান, “শুধু সচেতনতা নয়, এবার সরাসরি জরিমানার মাধ্যমে মানুষকে আইন মানতে বাধ্য করা হবে। কেউ অযথা হর্ণ বাজালে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
বিশেষজ্ঞদের মতে, শব্দ দূষণকে মানুষ এখনো দূষণ হিসেবে গুরুত্ব দেয় না। অযথা হর্ণ বাজানো যেন এক ধরনের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। তবে নিয়মিত জরিমানা শুরু হলে সাধারণ মানুষ দ্রুত সচেতন হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
পরিবেশবাদীরা বলছেন, শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে শুধু আইন প্রয়োগ নয়, চালক ও পথচারীদের আচরণগত পরিবর্তনও জরুরি। স্কুল-কলেজে সচেতনতা কার্যক্রম এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদানের সময় এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

শহরের বাসিন্দারা বলছেন, নিরব এলাকা বাস্তবে নিরব হলে শিক্ষার্থী, রোগী ও সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে। এখন দেখার বিষয়—বিধিমালার কঠোর প্রয়োগ কতটা কার্যকর হয় এবং মানুষ কত দ্রুত ‘অযথা হর্ণ’ বন্ধ করতে শেখে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category