• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ০২:১০ অপরাহ্ন
Headline
ভর্তি পরীক্ষার্থীদের পাশে গ্রীন ভয়েস: প্লাস্টিকমুক্ত সেবায় মানবিক দৃষ্টান্ত বাপা ও ক্যাবের আয়োজনে জ্বালানি রূপান্তরে ন্যায্য বিনিয়োেগ ও জনস্বার্থ নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নতুন নেতৃত্বে কুড়িগ্রাম গ্রীন ভয়েস, সভাপতি-নূরনবী, সাধারণ সম্পাদক-তহ্নি বণিক ও সাংগঠনিক সম্পাদক-স্বপ্ন হাবিপ্রবিতে গ্রীন ভয়েসের উদ্যোগে ইফতার ও অসহায়দের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ গ্রীন ভয়েস গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নতুন কমিটি: সভাপতি জয়, সাধারণ সম্পাদক উৎস ও সাংগঠনিক সম্পাদক সুমাইয়া উলিপুরে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে গ্রীন ভয়েসের পরিবেশ পদযাত্রা ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্রীন ভয়েসের নতুন কমিটি ঘোষণা পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে গ্রীন ভয়েস, দিনাজপুর সরকারি কলেজ শাখার ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত গ্রীন ভয়েস, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখার উদ্যোগে আলোচনা সভা, দায়িত্ব হস্তান্তর ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) পরিবেশবাদী সংগঠন ‘গ্রীন ভয়েস’-এর আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে

এক প্রদর্শনীতে সব এলাকার ধান শাক-সবজি ঔষধি গাছ

Reporter Name
Update : বৃহস্পতিবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২২

এক প্রদর্শনীতে সব এলাকার ধান শাক-সবজি ঔষধি গাছ

নিজস্ব প্রতিবেদক
উপকূলীয় অঞ্চলে যে ধান উৎপাদন হয়, তা হয় না বরেন্দ্র অঞ্চলে। আবার নদী সমতল অঞ্চলে যে শাক-সবজি পাওয়া যায় তার সবটাই পাওয়া যায় না হাওর অঞ্চলে। তবে রাজশাহীতে আয়োজিত এক প্রদর্শনীতে এই চার অঞ্চলের ধান, ঔষধি গাছ ও শাক-সবজির পরিচয় পাওয়া গেছে।
রাজশাহী জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত দুই দিনের যুব জলবায়ু সম্মেলনে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে বরেন্দ্র অঞ্চল, নদী সমতল অঞ্চল, হাওর অঞ্চল এবং উপকূল অঞ্চলের চারটি স্টল ছিল। এলাকাগুলোর ফসল, শাক-সবজি আর ঔষধি গাছের নমুনা রাখা হয়েছিল স্টলগুলোতে।
হাওর অঞ্চলের স্টলে দেখা গেল ময়নামতি, রাঁধুনী পাগল, আর পারি না, খাইনল, বজ্যমুড়ি, মালা, স্বর্ণলতা, বিন্নি, বৌ সোহাগী, ঝাপি বোরো, পাইরজাত, পাখি বিরইন, পংখীরাজ, মধুশাইল, সুবাশ, মালশিরাসহ নানা নামের ধানের নমুনা পাত্রে পাত্রে সাজানো। মোটা কাগজের ওপরে লাগানো ছিল লইটা, কায়াকুলি,গাধাপুঁই, গাইগুয়াল্যা, রাধাতুলশিসহ নানা রকম শাক ও ঔষধি গাছ। কোনটি শাক আর কোনটি ঔষধি গাছ তাও লেখা ছিল।
উপকূলীয় অঞ্চলের স্টলে দেখা গেল দিশারী, বাঁশফুল, কলমিলতা, চারুলতা, নারকেল মুড়ি, সুভাষ, চিনিকানি, মরিচশাইলসহ নানা নামের ধান। ছিল ওই এলাকার সব দেশীয় সবজির বীজ এবং নানারকম শাকও। নদী সমতল অঞ্চলের স্টলে ছিল নানা রকম সবজির বীজ, ধান ও ঔষধি গাছের প্রদর্শনী। বরেন্দ্র অঞ্চলের স্টল দিয়েছিলেন উন্নত চুলার আবিষ্কারক রাজশাহীর তানোরের কবুলজান খাতুন। তাঁর স্টলে নানা রকম ধানের পাশাপাশি নানা আকার ও নামের উন্নত চুলাও রাখা হয়েছিল। ছিল এ অঞ্চলের সব ধরনের শাক-সবজির বীজও। বিভিন্ন স্থান থেকে সম্মেলনে যোগ দেওয়া যুবরা প্রদর্শনী ঘুরে ঘুরে দেখেন।
মঙ্গলবার এই সম্মেলন শুরু হয়েছিল। বেসরকারী গবেষণা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ রিসোর্স সেন্টার ফর ইন্ডিজেনাস নলেজ (বারসিক) ও বরেন্দ্র অঞ্চল যুব সংগঠন ফোরাম ‘ক্ষতিপূরণের অঙ্গীকার, জলবায়ু সুবিচার’ শীর্ষক এই সম্মেলনের আয়োজন করে। সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন বুধবার আলোচনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী দেশগুলোর কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের দাবিতে জলবায়ু মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
এতে অংশ নেন জাতীয় কৃষি পদকপ্রাপ্ত স্বশিক্ষিত কৃষিবিজ্ঞানী নূর মোহাম্মদ, সাংবাদিক শরীফ সুমন, বারসিকের পরিচালক সৈয়দ আলী বিশ্বাস, প্রকৃতি গবেষক পাভেল পার্থ, বারসিকের গবেষক শহিদুল ইসলাম, জাতীয় আদিবাসী পরিষদের নেতা সুভাষ চন্দ্র হেমব্রম প্রমুখ। সভাপতিত্ব করেন বরেন্দ্র অঞ্চল যুব সংগঠন ফোরামের আহ্বায়ক শাইখ তাসনীম জামাল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category