• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন
Headline
তেজগাঁও কলেজে গ্রীন ভয়েসের সাপ্তাহিক পাঠচক্র ‘প্রয়াস’-এর প্রথম পর্ব অনুষ্ঠিত চিলমারীতে গ্রীন ভয়েসের মেধামূল্যায়ন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত, বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ বাপার দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ২০২৬-এ অংশ নিল গ্রীন ভয়েস যবিপ্রবি শাখা পদ্মকুড়ি গ্রামে মজিবুর রহমান স্মৃতি গ্রন্থাগারের মাসিক পাঠচক্র ও পুরস্কার বিতরণ গ্রীন ভয়েস প্রধান সমন্বয়কের সঙ্গে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ও গৌরনদী উপজেলা টিমের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্লাস্টিক ফুটপ্রিন্ট ম্যাপিংয়ের অংশ হিসেবে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্রীন ভয়েসের নবীন সদস্যদের ভাইভা অনুষ্ঠিত লালমনিরহাট সরকারি কলেজে দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষার্থীদের উপহার ও দিকনির্দেশনা গৌরনদীতে গ্রীন ভয়েসের নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে ২০২৫ বিধিমালা: নিরব এলাকায় সরব থাকবে পুলিশ, ১ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

Reporter Name
Update : সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

রাজধানীসহ সারা দেশে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের আওতায় প্রণীত শব্দ দূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা–২০২৫ কার্যকর করতে মাঠে নামছে পুলিশ ও ভ্রাম্যমাণ আদালত। বিশেষ করে ‘নিরব এলাকা’ ঘোষিত হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আদালত ও আবাসিক এলাকার আশপাশে অযথা হর্ণ বাজানো, উচ্চ শব্দে মাইক ব্যবহার কিংবা যানবাহনের বিকট শব্দ সৃষ্টি করলে ১ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হবে।

 

সংশ্লিষ্টরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে আইন থাকলেও বাস্তব প্রয়োগ ছিল দুর্বল। ফলে নগর জীবনে শব্দ দূষণ এক নীরব আতঙ্কে পরিণত হয়েছে। গবেষণা বলছে, অতিরিক্ত শব্দের কারণে শ্রবণশক্তি হ্রাস, মানসিক চাপ, উচ্চ রক্তচাপ ও ঘুমের ব্যাঘাতসহ নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে।
বিধিমালায় নিরব এলাকায় অযথা হর্ণ বাজানোকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল, বাস ও ট্রাকের বিকট হর্ণ, পরিবর্তিত সাইলেন্সার ও অনুমোদনহীন সাউন্ড সিস্টেমের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হবে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান, “শুধু সচেতনতা নয়, এবার সরাসরি জরিমানার মাধ্যমে মানুষকে আইন মানতে বাধ্য করা হবে। কেউ অযথা হর্ণ বাজালে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
বিশেষজ্ঞদের মতে, শব্দ দূষণকে মানুষ এখনো দূষণ হিসেবে গুরুত্ব দেয় না। অযথা হর্ণ বাজানো যেন এক ধরনের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। তবে নিয়মিত জরিমানা শুরু হলে সাধারণ মানুষ দ্রুত সচেতন হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
পরিবেশবাদীরা বলছেন, শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে শুধু আইন প্রয়োগ নয়, চালক ও পথচারীদের আচরণগত পরিবর্তনও জরুরি। স্কুল-কলেজে সচেতনতা কার্যক্রম এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদানের সময় এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

শহরের বাসিন্দারা বলছেন, নিরব এলাকা বাস্তবে নিরব হলে শিক্ষার্থী, রোগী ও সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে। এখন দেখার বিষয়—বিধিমালার কঠোর প্রয়োগ কতটা কার্যকর হয় এবং মানুষ কত দ্রুত ‘অযথা হর্ণ’ বন্ধ করতে শেখে।


More News Of This Category